Showing posts with label feature. Show all posts
Showing posts with label feature. Show all posts

Saturday, June 30, 2018

দাত ভাঙ্গা জবাব ★★★★★★★

# প্রশ্নঃ "নবী কি হানাফি ছিলেন, শাফেঈ ছিলেন,
হাম্মলী ছিলেন, মালেকী ছিলেন, নাকি মুসলিম
ছিলেন?"
.
# জবাবঃ এই মূর্খদের মত প্রশ্ন যারা করে তাদেরকে
জিজ্ঞাসা করুন, নবী কি সাহাবী ছিলেন, তাবেঈ
ছিলেন? তাবে তাবেঈ ছিলেন? নাকি মুসলিম ছিলেন?
.
নবী যেইভাবে সাহাবী না হয়ে, তাবেঈ না হয়ে, তাবে
তাবেঈ না হয় এসকল পরিচয়ের অণুমোদন দিয়ে গেছেন,
ঠিক তেমনিভাবে রসূল সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
হানাফি, শাফেঈ, মালেকি, হাম্বলী সকল মাযহাবের
অণুমোদনদাতা ছিলেন। নিম্নোক্ত সহীহ হাদীসটি লক্ষ
করুণ -
ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ ﻫُﺮَﻳْﺮَﺓَ ﺃَﻥَّ ﺭَﺳُﻮﻝَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻗَﺎﻝَ ﻣَﻦْ ﺩَﻋَﺎ ﺇِﻟَﻰ ﻫُﺪًﻯ ﻛَﺎﻥَ ﻟَﻪُ
ﻣِﻦْ ﺍﻷَﺟْﺮِ ﻣِﺜْﻞُ ﺃُﺟُﻮﺭِ ﻣَﻦْ ﺍﺗَّﺒَﻌَﻪُ ﻻ ﻳَﻨْﻘُﺺُ ﺫَﻟِﻚَ ﻣِﻦْ ﺃُﺟُﻮﺭِﻫِﻢْ ﺷَﻴْﺌًﺎ ﻭَﻣَﻦْ ﺩَﻋَﺎ ﺇِﻟَﻰ ﺿَﻼﻟَﺔٍ
ﻓَﻌَﻠَﻴْﻪِ ﻣِﻦ ﺍﻹِﺛْﻢِ ﻣِﺜْﻞُ ﺁﺛَﺎﻡِ ﻣَﻦْ ﺍﺗَّﺒَﻊَ ﻻ ﻳَﻨْﻘُﺺُ ﺫَﻟِﻚَ ﻣِﻦْ ﺁﺛَﺎﻣِﻬِﻢْ ﺷَﻴْﺌًﺎ
হযরত আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূল (সাঃ)
ইরশাদ করেছেন, "যে ব্যক্তি হিদায়াতের দিকে পথ
প্রদর্শন করে, যে ব্যক্তি তার পথ অনুসরণ করবে, তার
সওয়াবে কমতি করা ছাড়াই তার সমপরিমাণ সওয়াব পথ
প্রদর্শনকারী পাবে। এমনিভাবে যে ব্যক্তি পথভ্রষ্টতার
দিকে ডাকবে, এর দ্বারা যে ব্যক্তি গোনাহে লিপ্ত হবে,
তার গোনাহের মাঝে কম করা ছাড়াই এর সমপরিমাণ
গোনাহ আহবানকারী পাবে।"
.
{মুসনাদে আহমাদ, হাদীস নং-৯১৬০, সহীহ মুসলিম, হাদীস
নং-২৬৭৪}
.
উপরোক্ত হাদীস দ্বারা রসূল সল্লাল্লহু আলাইহি
ওয়াসাল্লাম সকল মাযহাব, মাদ্রাসা, দ্বীন মানার
সহায়ক সকল কাজের অণুমোদন দিয়ে গেছেন। তাহলে
সহীহ হাদীস মানলে উপরোক্ত হাদীস মানতে আপনাদের
সমস্যা কোথায়?
.
যেই কারণে সাহাবীগণ, তাবেঈগণ, তাবে তাবেঈনগণ
যেভাবে এই পরিচয় নিয়েও মুসলিম ছিলেন। সেই একই
কারণে আমরাও হানাফি, শাফেঈ, মালেকি, হাম্বলী
হয়েও মুসলিম।
.
আরেকটি উদাহরণ থেকে বলি। একটি মসজিদে যারা
নামাজ আদায় করে সকলেরই পরিচয় নামাজি।
.
★তবে এর মাঝে যিনি নামাজ পড়ান তাকে কি বলা হয়?
- "ইমাম সাহেব।"
★যিনি আযান দেন তার কি পরিচয়?
- "মুয়াজ্জিন সাহেব।"
★যারা নামাজ পড়েন তাদের কি বলা হয়?
- "মুসুল্লি।"
এক মসজিদে একই কাতারে নামাজরত নামজিদের পরিচয়
তিন রকমের। কেন সকলের পরিচয় শুধু নামাজি হলে দোষ
কি?
.
আরেকটু সহজ ভাষায় বলি। আমাদের দেশের বিভিন্ন
মানুষের বাড়ী বিভিন্ন জেলায় রয়েছে। তাই বলে কি
কেউ প্রশ্ন করেন, ভাই আপনি ঢাকাবাসী না
বাংলাদেশী? আপনি সিলেটবাসী না বাংলাদেশি?
.
সামান্য একটা দেশের ৬৪ টি টা জেলা হতে পারে। আর
ইসলাম এতবড় একটি মহাসমুদ্র এর শাখা প্রশাখা, নদ-নদী
থাকতে পারেনা? সকল নদী যেভাবে গিয়ে সাগরে
মিলিত হয়। তেমনি ইসলামের সকল সহীহ পথ, মাযহাব
গিয়েও জান্নাতে মিলিত হবে ইনশাআল্লাহ।
.
আল্লাহ সবাইকে বুঝার ও আমল করার তাওফিক্ব দান করুন আমীন৷

Friday, June 29, 2018

গাড়ির নাম্বার প্লেটের রহস্য জানুন৷

আমরা হয়তো অনেকেই জানি না যে, বাইক বা গাড়ির নাম্বার প্লেটের ক, খ, হ, ল ইত্যাদি অক্ষরগুলো কি অর্থে ব্যবহৃত হয়। BRTA-এর অনুমোদিত সকল যানবাহনে নাম্বারপ্লেট ব্যবহারের নিয়ম চালু হয় ১৯৭৩ সালে। আসলে এই নাম্বার প্লেট কি অর্থ বহন করে? নাম্বারপ্লেট অনেক মজার তথ্য বহন করে, যা আমাদের অনেকেরই ধারনা নেই। বাংলাদেশের যানবাহনগুলোর নাম্বারপ্লেটের ফরম্যাট হচ্ছে- ‘শহরের নাম-গাড়ির ক্যাটাগরি ক্রম এবং গাড়ির নাম্বার’। যেমন, ‘ঢাকা মেট্রো য-১১২৫৯৯। এখানে, ‘ঢাকা মেট্রো’ দ্বারা বোঝানো হয়েছে গাড়িটি ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকার আওতাধীন। ‘য’ হচ্ছে শুধুমাত্র প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের গাড়ির চিহ্নকারী বর্ণ। অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আওতাধীন সব গাড়ি ‘য’ বর্ণ দ্বারা চিহ্নিত করা হবে। পরবর্তী ‘১১’ হচ্ছে গাড়িটির রেজিস্ট্রেশন নাম্বার এবং ‘২৫৯৯’ হচ্ছে গাড়ির সিরিয়াল নাম্বার। সাধারণত বাংলা বর্নমালার ‘অ, ই, উ, এ, ক, খ, গ, ঘ, ঙ, চ, ছ, জ, ঝ, ত, থ, ঢ, ড, ট, ঠ, দ, ধ, ন, প, ফ, ব, ভ, ম, য, র, ল, শ, স, হ অক্ষরগুলো ব্যবহার করা হয়।ল উপরের প্রতিটি বর্ণ আলাদা আলাদা গাড়ির পরিচয় বহন করে।
চলুন জেনে নিই এগুলো দ্বারা কী বুঝায় –
ক – ৮০০ সিসি প্রাইভেটকার
খ – ১০০০-১৩০০ সিসি প্রাইভেটকার
গ – ১৫০০-১৮০০ সিসি প্রাইভেটকার
ঘ – জীপগাড়ি
চ – মাইক্রোবাস
ছ – মাইক্রোবাস / লেগুনা (ভাড়ায় চালিত)
জ – বাস (মিনি)
ঝ – বাস (কোস্টার)
ট – ট্রাক (বড়)
ঠ – ডাবল কেবিন পিকআপ
ড – ট্রাক (মাঝারী)
ন – পিকআপ (ছোট)
প – ট্যাক্যি ক্যাব
ভ – ২০০০+ সিসি প্রাইভেটকার
ম – পিকআপ (ডেলিভারী)
দ – সি এন জি (প্রাইভেট)
থ – সি এন জি (ভাড়ায় চালিত)
হ – ৮০-১২৫ সিসি মোটরবাইক
ল – ১৩৫-২০০ সিসি মোটরবাইক
ই – ট্রাক (ভটভটি)…

Wednesday, June 27, 2018

আখেরাত

যে খালি হাতে এসেছি, সেই খালি হাতেই যদি চলে যেতে হয়। তাহলে কেন এত ভোগ বিলাস?
সৃষ্টি মাটি থেকে সেই মাটিই যদি আসল ঠিকানা হয়। তাহলে কেন এত দাম্ভিকতা আর অহংকার? 
আয় আল্লাহ,সকল অনিষ্টতা থেকে আশ্রয় নিচ্ছি আপনার।

Tuesday, June 26, 2018

হুজুর স্বামী


মামাত  ভাইকে বিবাহ করাবো। পাত্রী ও মাশাআল্লাহ পছন্দ হয়েছে। উভয় পরিবার সম্মত। পাত্রী আমার বন্ধুর বন্ধুর বোন।
.
মামাতো ভাইটি ও মাশাআল্লাহ হাফেজ আলেম। এমন পাত্রকে কে হাতছাড়া করবে!! দেখতে শুনতে, পড়া লেখায়, অর্থ সম্পদে, সামাজিক অবস্থানে হাজারে না হোক অন্তত শত ছেলের মাঝে বেছে নেওয়ার মত।
.

মেয়ে পক্ষ বেশ কয়েকবার মামাদের বাড়ীতে এসেছে। ছোটখাট খাবারের আয়োজন ও হয়েছে। বিয়ের স্থান দিন তারিখ সব ফাইনাল।
.
বিয়ের দু"দিন আগে মেয়ের বাবা ফোন দিয়ে বললো। বিয়েটা হচ্ছে না। মাথায় যেন আকাশ ভেঙ্গে পড়লো। বড় ছেলে হিসেবে মামাদের অনেক বড় আয়োজন করার প্ল্যান ছিল। এত আয়োজন!! আত্মীয় স্বজন!! নিমন্ত্রন দাওয়াত সব সম্পন্ন।
অথচ এ মুহূর্তে না??
আত্মীয়রা আশ পাশের মানুষ কি ভাববে এ চিন্তায় মামা পুরাই জমে পাথর হয়ে গেলেন।
.
ভেবেছি মেয়ের হয়তো কোথাও সম্পর্ক আছে। বর্তমান সময়ে তা আশ্চার্যের নয়। তাই মেয়ের বাবার সাথে সরাসরি কথা বললাম।
.
কিন্তু না!!!
না করে দেয়ার কারন ভিন্ন কিছু!! তা হলো "মেয়ের হুজুর দাঁড়িওয়ালা জামাই পচন্দ না" প্রয়োজনে সারা জীবন আইবুড়ো হয়ে থাকবে তবু হুজুর জামাই নট এলাও। খুব রাগ হলাম মেয়ের বাবার উপর!! মেয়ের মতামত না নিয়ে তবে কেন আমাদের কথা দিলেন। সবার চোখে আমাদের ছোট বানালেন!! বেচারা ও কি করবেন। বহু চেষ্টা করেছেন কিন্তু মেয়েকে বুঝাতে সক্ষম হয়নি। লজ্জায় তিনি মাথা নিচু করে আছেন।
.
এবার রাগটা গিয়ে পড়লো মেয়েটির উপর। মনে মনে ভাবলাম দেখি চান্দু!! তুমি কোন রাজপুতের ঘর কর!! দাঁড়িবিহীন কোন সুপুরুষ তোমার কপালে জুটে!! আমি দেখার অপেক্ষায়...............
.
আমি কিছুদিন পর পর তার খোজ নিতাম। শুনেছি দাঁড়িবিহীন এক রাজপুতের সাথে তার বিয়ে হয়েছে। কিন্তু তার শাশ্রুবিহীন সেই স্মাট স্বামী তার মধু রেখে অন্য মৌচাকের মধু পানে ব্যস্ত ছিলো। স্বামীর প্রবাসি ভাইয়ের স্ত্রীর (বড় ভাবীর) সাথে ছিল তার অবৈধ দৈহিক সম্পর্ক। মেয়েটি বিয়ের পর তা জানতে পেরেছে। মেয়েটি তার প্রতিবাদ করায় উল্টো স্বামী ও বড় ভাবী কতৃক নির্যাতনের স্বীকার হয়েছে। বিষয়টি বহুদূর গড়ায় এক পর্যায়ে পুরো এলাকায় জানাজানি হয়ে যায়। এটা প্রকাশের কারনে ছেলের পুরো পরিবার দায়ী করেছে মেয়েটিকে।
.
লাজ্জায় ক্ষোভে অপমানে মেয়েটি বেশ কয়েকবার নাকি আত্মহত্যার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছে। অবশেষে বাধ্য হয়ে স্বামীকে ডিভোর্স দিয়ে বাপ ভাইয়ের মাথায় জেঁকে বসেছে।
শাশ্রুবিহীন নায়কের হাত ধরে রাস্তা ঘাটে মার্কেটে পার্কে ঘুরে বেড়ানোর কল্পিত স্বপ্ন ফানুস হয়ে উড়ে গেছে।
এখন কান্না আর একাকিত্বই তার নিত্য সঙ্গী। বুঝেন তো এ সমাজে একটা ডিভোর্সি মেয়েকে কোন দৃষ্টিতে দেখা হয়.............
.
আর আমার মামাত ভাইটি মাশাআল্লাহ। এক শাহজাদা ও এক শাহজাদীর বাবা। তারঁ সামাজিক অবস্থান, ইনকাম সোর্স, শশুর বাড়ীর অবস্থান, স্ত্রী ও ফুটফুটে সন্তানদের দেখলে যে কারো ইর্ষা হবে।
সবই আল্লাহর করুনা.......

ক্লিক করেই আয় করুন

নিচের লিংকে ক্লিক করে প্লে স্টোর থেকে RingID এপ্সটি ডাউনলোড করে আনলিমিটেড ইনকামে ঝাপিয়ে পড়ুন। পেমেন্ট ১০০% বিকাশ ও রকেটে। 

https://www.ringid.com/dl?ogImgUrls=cloud_v1/uploadedAlbum-179/2114212228/6987311529347328348.jpg

refer code: *14212228*

sign up করার সাথেসাথে ২০ টাকা পেয়ে যাবে। এভাবে তুমিও যতজনকে রেফার করবে ততজনের কাছ থেকে আমার মতো রেফার বোনাস ২০ টাকা পাবে। সেও সাইন আপ বোনাস ২০ টাকা পাবে।

Monday, June 25, 2018

মনোমুগ্ধকর মন্তব্য

অসম্ভব ভাল ছবি। এক কথায় অনবদ্য। বহুদিন পরে একটা ভাল ছবি দেখলাম।
আনন্দঘণ পরিবেশে মাগফিরাতের মহেন্দ্রক্ষণে যাওয়ার পথে -রহমতের ফাল্গুধারার বর্ষণে সিক্ত হয়ে, ছাতা হাতে অপলক নেত্রে তাঁকিয়ে যখন মনের গহিন থেকে আনন্দমনে ফেলফি তুলা হয়, তখন তা হবেই তো অনবদ্য।মাশাআল্লাহ, হযরত আপনি
একেবারে অপরূপ সৌন্দর্যের মূলে কুঠারাঘাত করেছেন। তৃতীয় বিশ্বের একটি উন্নয়নশীল দেশ হিসাবে আমরা যখন সম্রাজ্যবাদীদের চোখ রাঙ্গানো আর আমলাতান্ত্রীক জটিলতার শিকার হয়ে ক্রমশ এগিয়ে যাচ্ছি একটি অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে; ঠিক তখনি, ঠিক সেই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে আপনার এই ছবির মাঝে আমি খুঁজে পাচ্ছি অন্ধকার ঠেলে সামনে এগিয়ে যাওয়ার একটি সম্ভাবনা । আর
বিদেশী বেনিয়াদের কাছে বুদ্ধিবৃত্তিক দাসত্ব গ্রহন করার বিপক্ষে একটি সূক্ষ্ম বার্তা।